fbpx

পরীক্ষা নির্ভর পড়াশোনা এবং চর্চা করার পরিবেশ ও সুযোগ কম থাকার কারণে আমাদের ইংরেজিতে দুর্বলতা থেকে যায় সারা জীবন। তাই স্কুল,কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে এত ইংরেজি পড়ার পরও আমরা ইংরেজিতে ঠিক মত কথা বলতে পারি না, নেটিভ স্পিকারদের কথা শুনে তেমন বুঝি না। সাধারণ আমরা একাডেমিক পড়াশোনার কারণে বা সচরাচর যেসব ভোকাবুলারি জানি এর বাইরে কোন শব্দ আসলে পড়ে বুঝি না বা লিখতে পারি না।

IELTS পরীক্ষা যেহেতু ইংরেজি ভাষার জ্ঞান যাচাই করে না বরং ইংরেজি ভাষা প্রয়োগের দক্ষতা যাচাই করে, তাই এই ধরনের পরীক্ষা আমাদের অধিকাংশ শিক্ষার্থীর কাছে অনেক কঠিন মনে হয়। কিন্তু কেউ যদি ইংরেজি পড়ে অর্থ বুঝতে পারে তাহলেই তার কাছে IELTS পরীক্ষা অনেক সহজ হয়ে যাবে। এছাড়া কোনো টিপস আর নিনজা টেকনিক কাজে আসবে না।

অন্য যেকোনো Module থেকে Reading প্রায় অধিকাংশ শিক্ষার্থীর কাছে কঠিন মনে হয়। কারণ এখানে ইংরেজি পড়ে অর্থ বোঝার দক্ষতা যাচাই সবচেয়ে বেশি হয়। কেউ যদি ইংরেজি পড়ে অর্থ বুঝতে না পারে তাহলে সে কোন মডিউলেই ভালো করতে পারবে না। তাই যারা ইংরেজিতে দুর্বল তাদের জন্য IELTS প্রস্তুতির শুরুতে ইংরেজি পড়ে অর্থ বোঝার দক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে। এর জন্য সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হলো ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ করা শেখা। আমি লিখিত ভাবে এই চ্যালেঞ্জ করতে পারব কেউ যদি দ্রুত Reading Comprehension Skill অর্জন করতে চায় তার জন্য অনুবাদ Antibiotic এর মত কাজ করবে। যারা শূন্য থেকে IELTS প্রস্তুতি নিতে চান তাদের উচিত প্রথম এক মাসে শুধুই ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ প্র্যাকটিস করা। যদি আপনার অবস্থা কিছুটা ভালো হয় তাহলে সরাসরি Cambridge এর প্যাসেজ অনুবাদ প্র্যাকটিস করেন। আর না হলে সহজ কোনো টপিক অনুবাদ করেন। আপনার উদ্দেশ্য ইংরেজি পড়ে যাতে বাংলা অর্থ বুঝতে পারেন।

আপনি ইংরেজিতে দুর্বল না হলেও Reading Module এর প্রস্তুতি নিতে Cambridge এর প্যাসেজ পড়ার বিকল্প নাই। কেন ইংরেজি নিউজ পেপার বা বই বা ব্লগ পড়ে সময় নষ্ট করবেন। এই টাইপের Content তো Reading Module-এ আসবে না। সরাসরি Cambridge এর প্যাসেজ পড়ে আপনার ইংরেজি পড়ার মানকে বাড়াতে হবে। তাই Cambridge এর প্যাসেজ আর প্রশ্নগুলো এবং পরীক্ষার পদ্ধতি ভালো করে জেনে নিজের অবস্থা যাচাই করতে হবে। এর জন্য নিজেকে দুইটি প্রশ্ন করতে পারেন।

(১) আমি কি Cambridge এর প্যাসেজ পড়ে অর্থ বুঝতে পারি?

(২) প্রশ্ন পড়ার পর কি বুঝতে পারি প্রশ্নে কি জানতে চাওয়া হয়েছে?

যদি এই প্রশ্নগুলোর উত্তর “না” হয় তাহলে আপনি ইংরেজিতে দুর্বল। আগে আপনাকে ইংরেজি পড়ে অর্থ বোঝার দক্ষতা অর্জন করতে হবে এরপর IELTS এর জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। কীভাবে IELTS READING এর প্রস্তুতি নিবেন তার বিস্তারিত বাংলায় IELTS READING এর ফুল কোর্স বইটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

Listening হলো Reading-এর একটি ধরণ, Auditory Reading। যাকে আমি বলি আধা রিডিং আর আধা লিসেনিং। আপনি যদি কোনো কিছু শুনে বুঝতে চান তাহলে দুইটি জিনিস এক সাথে লাগবে। যা শুনছেন তার সাউন্ড বুঝতে হবে এবং সেই সাউন্ডের অর্থ বুঝতে হবে। ইংরেজিতে যদি কারও রিডিং স্কিল ভালো থাকে তাহলে তার অর্ধেক কাজ শেষ। এরপর কাজ হলো নেটিভদের উচ্চারণ বুঝতে পারা।

IELTS Listening-এ যেই মানের প্রশ্ন আসে এর উত্তর করার জন্য প্রশ্ন দেখে একইসাথে Aduio শোনা ও এর অর্থ বুঝতে পারা এবং Answer লিখতে হয়। এই তিনটা জিনিস এক সাথে করা অনেকের কাছেই কঠিন মনে হয়। কারণ আগে এই ধরনের পরীক্ষায় হয়ত দেয়া হয়নি বা এই ধরনের প্র্যাকটিস করা হয় নি। কেউ যদি দ্রুত Listening Module-এ ভালো করতে চায় তার জন্য উত্তম হলো সহজ কোনো বিষয়ের উপর Aduio শুনে এর সামারি করার প্র্যাকটিস করা। অনেকে Listening-এ ভালো করার জন্য ইংরেজি মুভি, নিউজ বা পডকাস্ট শুনতে বলে।আমি মনে করি এটা খুবই অকার্যকর একটা পরামর্শ। IELTS এর Listening Test এ যেসব কথোপকথন হয় এবং কথা বলার টোন যেমন থাকে এর সাথে মুডি, নিউজ বা পডকাস্টের কোনো মিল নেই। সরাসরি Cambridge এর প্রশ্নে যে Audio আছে সেগুলো শুনে Listening প্র্যাকটিস করা উচিত।

এছাড়াও IELTS এর Listening Test-যেসব প্রশ্ন আসে সেগুলোর উত্তর করার জন্য কিছু Listening স্কিল লাগে। ইংরেজিতে বিভিন্ন একসেন্টে যেমন ব্রিটিশ, আমেরিকান, কানাডা বা অস্ট্রেলিয়ার মানুষরা কীভাবে Alpahbate, Number, Time, Day, Hour, Months, Year, Positive and Negative Expressin, ইত্যাদি উচ্চারণ করেন। এই বিষয়গুলো to the point-এ ভালো করে প্র্যাকটিস করলে Listening-এ অনেক প্রশ্নের উত্তর করা সহজ হয়ে যাবে। এছাড়া Listening এর প্রশ্নের শতভাগ নির্ভুল উত্তর করার পদ্ধতি জেনে Cambridge এর প্রশ্নগুলোই প্র্যাকটিস করলে অনেক ভালো স্কোর করা সম্ভব।

যারা ইংরেজিতে দুর্বল এবং শূন্য থেকে IELTS Writing Module এর প্রস্তুতি নিতে চান তাদের জন্য আগে লেখালিখির অভ্যাস করতে হবে। Freehand Writing Skill না থাকলে কিন্তু IELTS পরীক্ষার Writing-এ ভালো করা সম্ভব না। আমাদের স্কুল কিংবা কলেজে ইংরেজি পরীক্ষার জন্য আলাদা সিলেবাস ছিল। সেখানে সরাসরি বলা থাকতো কি কি প্যারাগ্রাফ আর রচনা পড়তে হবে। সেগুলোই মুখস্থ করে গেলে আর নিজের কিছু অভিজ্ঞতা দিয়ে পরীক্ষায় ভালো নাম্বার পাওয়া যেত। কিন্তু IELTS পরীক্ষার প্রশ্নের ধরনও ভিন্ন আর নির্দিষ্ট কোনো সিলেবাস নেই। এই জন্যই অধিকাংশ শিক্ষার্থীর কাছে Writing Module কঠিন মনে হয় আর ব্যান্ড স্কোরও তেমন বেশি আসে না। অনেকেই Reading আর Listening-এ ব্যান্ড স্কোর ৮ বা ৯ ও পায়। কিন্তু Writing-এ ব্যান্ড ৭+ স্কোর খুব বেশি দেখা যায় না।

কোনো বিষয়ে গুছিয়ে কিছু লিখতে গেলে দুইটি জিনিস লাগে। এক, কীভাবে একটি লেখা তৈরি হয় এই ধাপগুলো জানতে হয় এবং সেগুলো ফলো করতে হয়। দুই, লেখার মধ্যে যেসব তথ্য দিতে চান সেগুলোকে যথাযথ বাক্যে উপস্থাপন করা। তার মানে কেউ যদি ভালোভাবে বাক্য রচনা করতে পারে তাহলেই সে লিখতে পারবে। যারা ইংরেজিতেও দুর্বল এবং লেখালিখিরও তেমন অভ্যাস নেই তাদের জন্য এই দুইটি জিনিস নিশ্চিত করার সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হলো QnA মডেল। কোনো একটি বিষয়ে গুছিয়ে কিছু লেখার জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু প্রশ্ন এবং এর উত্তরই যথেষ্ট।

আপনার যখন লেখার হাত চালু হবে এবং অভ্যাস হয়ে যাবে তারপর গ্রামারের দিকে ফোকাস করবেন। যা লিখছেন তা কি গ্রামারের দিক দিয়ে কতটুকু সঠিক, চোখে পরার মত কোনো ভুল পাওয়া যায় কিনা। যেই বিষয়ে লিখছেন সেখানে তথ্যগুলো ঠিক ভাবে উপস্থাপন করতে পারছেন কিনা। এই বিষয়গুলোর উপর কিছু দিন মেহনত করলে আপনার দক্ষতা ইনশাল্লাহ এই পর্যায় পৌঁছাবে যে, IELTS Writing-এ প্রশ্নগুলোর উত্তর করার পদ্ধতি জানলেই আপনি যেকোনো প্রশ্নের উত্তর লিখতে পারবেন।

সবশেষে আপনার লেখার মান আরও উন্নত করতে ভোকাবুলারি এবং সাহিত্যের মানের উপর ফোকাস করতে হবে। আপনি যেভাবে কোনো বিষয়ে তথ্য উপস্থাপন করছেন তা যাতে সাবলীল হয় এবং তথ্যগুলো প্রাসঙ্গিক ও সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় সেই সাথে উচ্চমানের ভোকাবুলারি ব্যবহার করা হয়। যারা IELTS Writing-এ ব্যান্ড ৭ বা তার বেশি স্কোর করতে চায় তাদের জন্য এই দক্ষতাগুলো লাগবেই।

IELTS নিয়ে আমার দীর্ঘ দিনের গবেষণা ও হাজারও শিক্ষার্থী পড়িয়ে আমার মনে হয় Speaking এর প্রিপারেশন সবার শেষে নেওয়া উচিত। কারণ এই স্কিল অনেকটাই নির্ভর করে চর্চার উপর। Speaking প্র্যাকটিস যদি কিছু দিন বন্ধ থাকে তাহলে অনেক দ্রুত স্কিল ড্রোপ করে, মানে ফ্লুয়েন্সি কমে যায়। কিন্তু যারা ইংরেজিতে দুর্বল এবং শূন্য থেকে IELTS Speaking এর প্রস্তুতি নিতে চান তাদের উচিত হবে শুরুতে মুখের জড়তা কাটানো। এর জন্য Tongue Exercise এবং Tongue Twister প্র্যাকটিস করতে হবে। কারও যদি মুখে জড়তা থাকে তাহলে কখনই তার Speaking-এ ফ্লুয়েন্সি আসবে না।

IELTS Speaking এর জন্য প্রস্তুতির স্ট্র্যাটেজির সাথে Writing-এর অনেক মিল আছে। Speaking-যে ধরনের প্রশ্ন আসে তার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সিলেবাস নেই। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে সম্পৃক্ত যেকোনো বিষয়ে নিয়েই প্রশ্ন আসতে পারে। এমন কোনো প্রশ্ন আসবে না যার জন্য বিশেষ কোনো তথ্য জানা দরকার। স্বাভাবিক ভাবে ২১ শতকের একজন সচেতন মানুষের যা যা জানা থাকে এগুলো দিয়েই প্রশ্নের উত্তর বলা যায়। তবে কিছু প্রশ্ন (Part1) খুবই কমন যেগুলো আগে কিছুটা মুখস্থ করে নিলেই হয়। কিন্তু Part 2 &3 এর প্রশ্নের জন্য Speaking Skill লাগবে।

মুখের জড়তা কাটানোর পর ফোকাস করা উচিত Script Preparation Skill এর উপর। বিশেষভাবে Speaking-এর Que Card প্রশ্নের উত্তর বলতে হলে আপনার এই দক্ষতা লাগবেই। কোনো বিষয়ের উপর গুছিয়ে কিছু বলতে হলে আগে প্রস্তুতি নিতে হবে। পুরো বক্তব্যের মধ্যে কোথায় কি বলবেন, তা আগে থেকে ঠিক করা না থাকলে, বলার সময় আটকে যাবেন, ফ্লুয়েন্সি নষ্ট হয়ে যাবে আর সঠিক তথ্য উপস্থাপন করতে পারবেন না। এই দক্ষতা নিশ্চিত করতে শুরুতে সহজ কোনো বিষয়ের উপর QnA মডেল ফলো করে গুছিয়ে কথা বলার প্র্যাকটিস করতে হবে। এরপর কথার মধ্যে গ্রামার, উচ্চারণ এবং ভোকাবুলারির ক্ষেত্রে আরও ভালো করার জন্য চেষ্টা করতে হবে।

IELTS প্রস্তুতিতে সরাসরি গ্রামারের ব্যবহার নেই। কিন্তু কিছু গ্রামার জানা থাকা আবশ্যক। অনেকে ভুল করে ইংরেজি ভাষার জন্য সামগ্রিক ভাবে যত গ্রামার আছে সবকিছুই স্টাডি প্ল্যানের মধ্যে রাখে। এটা আমার মতে ভুল পদ্ধতি এবং এতে অনেক সময় ও চেষ্টা নষ্ট হয়। IELTS এর প্রশ্নের উত্তর নির্ভুল করার জন্য বিশেষ কিছু গ্রামার জানলেই হয়। যেমন; Parts of Speech, Sentence এবং Tense, এছাড়া কিছুটা Puntuation জানা লাগে কারণ Writing Module-এ কাজে লাগে। এর বাইরে গ্রামারের অন্যান্য অংশে সময় দিয়ে খুব একটা বেনিফিট হয় না।

Vocabulary নিয়ে কম বেশি সবাই টেনশন করে। IELTS-এ ভোকাবুলারির জন্য নির্দিষ্ট কোনো লিমিট নাই। কেউ বলতে পারবে না কতগুলো ভোকাবুলারি মুখস্থ করলে এই টেনশন যাবে। Cambridge-এর প্যাসেজ পড়তে গিয়ে অনেক ভোকাবুলারির অর্থ জানা থাকে না। তাই বাক্যে কি বুঝিয়েছে তা ধরতে পারি না। Speaking এবং Writing-এ অনেক কিছু প্রকাশ করতে গিয়ে যথাযথ ভোকাবুলারি খুঁজে পাই না। আবার Listening-এ Audio Script এর অনেক কিছু শুনে বুঝি না। কারণ সেই শব্দ উচ্চারণ করেছে তার অর্থ জানা নেই। এমন প্রশ্ন প্রায় অধিকাংশ শিক্ষার্থীর থাকে যারা IELTS প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এর সমাধান হলো Vocabulary শেখার Sustainable Method. যারা ইংরেজিতে দুর্বল তারা এই মেথডের অধীনে বিষয়ভিত্তিক কিছু ভোকাবুলারি শিখতে পারেন। এগুলো Speaking এবং Writing-এর ক্ষেত্রে বেশি কাজে লাগবে। এছাড়া Cambridge-এর সবগুলো টেস্টের Reading প্যাসেজ এবং Listening মডিউলের Audio Script ধরে ধরে যে শব্দের অর্থ আপনার জানা নেই বা মনে থাকে না সেগুলো পড়তে হবে। যখন Speaking এবং Writing এর Sample Answer পড়বেন সেগুলোর মধ্যে যেসব ভোকাবুলারি অজানা সেগুলো পড়ে ফেলতে হবে। সরাসরি কমন পড়বে এমন ভোকাবুলারি শুধু IELTS Writing Task 1 এর ক্ষেত্রেই আছে। এছাড়া Listening-এর কিছু প্রশ্নের উত্তর করতে কমন কিছু ভোকাবুলারি লাগে। যেগুলো পড়ে নিলেই হবে। এই বইয়ে Listening Skill অধ্যায়ে এগুলো দেওয়া আছে।

আপনি যদি কোনো একটা লক্ষ্য অর্জন করতে চান তাহলে শুধুই কি পড়াশোনা করলেই হবে? আপনি তো মানুষ, আপনার ইমোশোন আছে। আপনার কখনও মন খারাপ থাকবে আবার কখনও মন ভালো থাকবে। আপনি কখনও অনেক অনুপ্রাণিত হবেন আবার কখনও হতাশ হবেন। ইন্টারনেটের অপব্যবহার, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসক্তি, মানসিক চাপসহ বিভিন্ন সমস্যায় হয়তো আপনি জর্জরিত। আপনি নিজেকে শতভাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। কোনো কাজ শুরু করলে লেগে থাকতে পারেন না। কিছু দিন পর হাল ছেড়ে দেন। আপনার কোনো কাজে ফোকাস থাকে না।

যারা IELTS প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা মানুষ এবং তাদের অধিকাংশ এই সমস্যাগুলোর মুখোমুখি হয়। এই জন্য আপনার Body এবং Mind-কে একসাথে IELTS-এর লক্ষ্যের উপর ফোকাস রাখতে দরকার একজন দক্ষ মেন্টর। যিনি আপনাকে গাইড করবেন এবং আপনাকে লক্ষ্যের উপর লাগাতার কর্ম পদক্ষেপ নিতে সহযোগিতা করবেন। আপনি যদি কোনো কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসক্ত হয়ে যান অথবা অহেতুক বা খারাপ কোনো কন্টেন্ট দেখায় আসক্ত হয়ে পরেন, এমনকি মানসিক চাপে থাকেন। আপনাকে যেন যথাযথ মেন্টরিং করে আবার পড়াশোনায় ফিরিয়ে আনতে পারেন।

এই বইটিতে মেন্টরিং পর্ব নামে একটি অধ্যায় যুক্ত করা হয়েছে। যেখানে কতগুলো powerful Question দেওয়া হয়েছে। যার মাধ্যমের আপনি নিজের দুর্বলতা ও শক্তিশালী দিকগুলো বিবেচনা করে একটি Action Plan বানাতে পারবেন। এবং যারা শূন্য থেকে IELTS প্রস্তুতি সিরিজের বইগুলো দিয়ে IELTS প্রস্তুতি নিবেন তাদের জন্য প্রতি মাসে বিশেষ Mentoring Session অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া এই বইগুলো কিনলে নিয়মিত লাইভ ক্লাসতো পাবেনই। আমার সাথে দেখা হবে ক্লাসে। কিন্তু ক্লাসে আমি কোনো মোটিভেশনাল কথা বলি না। ক্লাসের টাইম পড়ানোর জন্য। মোটিভেশন এর জন্য আপনার এতটুকু অনুভূতিই যথেষ্ট যে বাবা মার জন্য, পরিবারের জন্য কিছু করতে চান। একজন ভালো সন্তান তার বাবা মা,পরিবারের দিকে তাকালেই মোটিভেট হবে। Mentoring Session-এ আমরা কীভাবে IELTS-এ ভালো স্কোর করার জন্য পড়াশোনায় ফোকাস বেশি দেওয়া যায় এই বিষয়ে কথা বলব।

আমি মোঃ ফজলেরাব্বি আফসার এবং সাবিহা জাহান অনেক মেহনত করে শূন্য থেকে IELTS প্রস্তুতি সিরিজের বইগুলো লিখেছি। কত রাত নির্ঘুম ছিলাম আর কত চ্যালেঞ্জ ছিল এত বড় একটা প্রজেক্ট শেষ করা এটা আল্লাহ ভালো জানেন। আমরা চেয়েছিলাম এই দেশের জন্য কিছু করতে। প্রিয় ভাই ও বোন IELTS প্রস্ততি নিতে আপনার যা যা প্রয়োজন সবকিছু শুধু এই বইগুলোর সাথেই পাবেন। আপনাকে আলাদা করে আর কোথাও টাকা খরচ করতে হবে না। আপনি বিদেশে উচ্চ শিক্ষার জন্য যান নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। বিডিয়ানের টিম হিসাবে আমরা আপনার স্বপ্ন পূরণের সঙ্গী হতে চাই।